পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে শিগগিরই আশাব্যঞ্জক সংবাদ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন দেশবাসী। এই তথ্য জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব—বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিষু, চাংলান ও চাংক্রান উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, শান্তি চুক্তির অনেক বিষয় এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তবে government’s পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ধৈর্য্য ধরে থাকার আহ্বান জানানো হয়। তিনি আশ্বাস দেন, শিগগিরই এই শান্তি প্রক্রিয়ায় ভালো খবর পাবেন সবাই।
পার্বত্য এলাকায় কিছু সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি মূলত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে। তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সরকার কাজ করছে। পাহাড়ি জনগণের স্বকীয়তা রক্ষা করে তাদের উন্নয়নের জন্য সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে, তাদের সম্পৃক্ততা ও সমর্থন বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হবে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দীর্ঘ দিন ধরে চলছিলো সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে এই চুক্তির মাধ্যমে আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিতের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য, মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমকে









