ঢাকা | | | |

প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ সকলের জন্য আশ্বাস: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন সফল রাষ্ট্রনায়কের সত্যিকারের শক্তি তার স্পষ্ট ও পরিকল্পিত নেতা-দর্শনে। সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলে পরিকল্পনা ভিত্তিক নেতৃত্বের সংকেত দিয়েছেন। এই ঘোষণা যেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে স্মরণ করিয়ে দেয়, যেখানে তিনি দেশের ভবিষ্যত পরিচালনার জন্য পরিষ্কার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন।

গতকাল শুক্রবার ঢাকায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে সামাজিক সংগঠন ‘আপন’ এর উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরো افزودেন, ‘প্রথমত দেখলাম, ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণের শুরতেই বললেন, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। এতে মনে হলো, দেশের ভবিষ্যৎ কর্তৃপক্ষ এমন স্পষ্ট পরিকল্পনা জনসম্মুখে প্রকাশ করেছে, যা আমাদের দেশের রাজনীতিতেও একই ধারা ধরা পড়েছে। এই পরিকল্পনা দেশের উন্নয়ন ও সুসংগঠনের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিশা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, একজন নেতা যখন একটা সুস্পষ্ট পরিকল্পনা জনগণের কাছে উপস্থাপন করেন, তখন সাধারণ মানুষ সেই রূপরেখার মধ্যে দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পারে এবং নেতার প্রতি আস্থা জোগায়। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ ঘোষণার প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রেখেই তার নেতৃত্বকে সমর্থন দিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী জানান, তারেক রহমানের পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও শিল্পের বৈচিত্র্যকে বিবেচনা করে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা। মহাত্মা ভেগাই হালদারও মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে বারবার কথা বলতেন, এটি আমাদের জন্য এক অনুপ্রেরণা।

তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ তার সকল বৈচিত্র্যকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে এগিয়ে নিয়ে যাবে, যেখানে বিভাজনের রাজনীতি কোন ভাবেই স্থান পাবে না।

তিনি বলেন, যারা একধরনের ধর্ম, সংস্কৃতি কিংবা একদলীয় আধিপত্যের চেষ্টায় লিপ্ত, তারা প্রকৃতি ও মানবতার বিরোধী। সরকার ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে কঠোর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আপন-ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।