বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও গভীর করতে শুরু হয়েছে ভারতের উদ্যোগে आयोजित ‘সম্প্রীতি’ নামে এক বিশেষ চিত্রকর্ম প্রদর্শনী। গতকাল রাজধানীর ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। এই ১০ দিনব্যাপী প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ৩৩ জন প্রখ্যাত শিল্পীর চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশন (আইসিসিআর)’র আয়োজনে দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট শিল্পীরা যেমন রফিকুন নবী, মনিরুল ইসলাম, আবদুস শাকুর, আবদুস সাত্তার, আবুল বারক আলভী, অলক রায়, ফরিদা জামান, নাঈমা হক, তরুণ ঘোষ, মোহাম্মদ ইউনুস, জামাল আহমেদ, রঞ্জিত দাস, মোস্তাফিজুল হক, রোকেয়া সুলতানা, দিলারা বেগম জলি, নিসার হোসেন, মোহাম্মদ ইকবাল ও আরও অনেকে।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং শিল্পচর্চার মাধ্যমে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাবে। এই প্রদর্শনী শিল্পপ্রেমীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং দর্শনার্থীরা দুই দেশের অনেক ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম উপভোগ করতে পারবেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, শিল্প ও সংস্কৃতির বন্ধনই দুই দেশের সম্পর্কের মূল শক্তি, যা হৃদয়ের গভীরে সংযোগ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনী কেবল শিল্পীদের ব্যক্তিগত সৃজনশীলতা প্রকাশের জন্য নয়, বরং দুই দেশের সাংস্কৃতিক আন্তঃসম্পর্কের প্রতিফলন।
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের শিল্পীদের ভাবনায় কোনও পার্থক্য নেই এবং দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্পীদের নিবিড় সম্পর্ক এই বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করছে। তিনি বিশ্বাস করেন, এই ধরনের উদ্যোগ দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক যৌথ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এই সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।
অনুষ্ঠানে খ্যাতনামা শিল্পী রফিকুন নবী বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করতে এই প্রদর্শনী খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভারতের শিল্পীদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ এখন পর্যন্ত ভালো রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এই অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। টুকরো এই সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহানুভূতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।









