ঢাকা | মঙ্গলবার | ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২১শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ধৈর্য ধরুন, সবাই পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মির্জা ফখরুল

স্থায়ীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সঙ্গে করা নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে এগিয়ে আছেন। তিনি আল্লাহতালার কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আমাদের কথা রেখেছি। ফ্যামিলি কার্ড হলো জনগণের শক্তি। এই কার্ডের মাধ্যমে আপনি উপকার পাবেন শুধুমাত্র আর্থিক সুবিধা নয়, বরং এই কার্ড আপনার স্বাধিকার ও অবস্থান দৃঢ় করে তুলবে। একজন নারী বা পরিবারের প্রধান হিসেবে আপনি সমাজে নিজের ভ standing রাখতে পারবেন। বেশিরভাগ পুরুষই হয়তো প্রথমে তা বুঝতে না পারলেও, অর্থ ও কার্ড আসার পর তারা বুঝতে শুরু করবে। এটাই নেত্রীর মূল লক্ষ্যের অংশ।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রাথমিকভাবে সারাদেশের মাত্র ১৪টি ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে সকল মা-বোনেরা যথাযথভাবে এই কার্ড পাবেন। এমনকি জেলা প্রশাসক রাও এই সুবিধা পাবেন, কারণ তিনি নারী। এই কার্ড প্রত্যেক ঘরে পৌঁছে যাবে, শুধু সময়ের ব্যাপার।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা মাঠে এসব কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলেছিলাম—এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আর আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আমি আপনাদের ঋণ শোধের জন্য কাজ করছি। ইতোমধ্যে একজন মেডিকেল টিম এসেছে, ইনশাল্লাহ আগামী অর্থবছরে মেডিকেলে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি শুরু হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ও অনুমোদন লাভ করেছে, শুধু ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের অপেক্ষা এবং এয়ারপোর্ট চালুর জন্য কাজ এগিয়ে চলেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আলোচনা করেছি, এই অঞ্চলে কৃষক বেশি থাকায় কৃষি প্রধান অর্থনীতি। অন্য কিছু না থাকলেও কৃষি চালিয়ে যাওয়া একমাত্র পথ। এজন্য কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষিত প্রজন্মের জন্য আইটি ট্রেনিং দরকার, যাতে তারা ঘরে বসেই মাসে দুই থেকে তিন লাখ টাকা আয় করতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মাদক, যা যুব সমাজের মধ্যে প্রসার লাভ করছে। মাদকের ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে, পুলিশ ও প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সকলে এগিয়ে আসতে হবে। মা-বাবাদেরও উদ্যোগ নিতে হবে। বলব, সবাই মাদককে না বলো।
মহাসচিব বলেন, আমার শেষ কথা—আশাহত হওয়ার কিছু নেই। যারা কার্ড পাননি, তারা ও পাবেন। ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করুন। আমাদের অন্য কোনো ইস্যু নেই, শুধু জনগণের কল্যাণকেই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। ঢাকায় বাড়ি বা বিদেশে গিয়ে গাড়ি-ঘড়ি করার চিন্তা এড়িয়ে আমরা শুধু জনগণের সেবা করে যাব।