ঢাকা | মঙ্গলবার | ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২১শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

রাইড শেয়ার মোটরসাইকেলে দৈনিক ৫ লিটার জ্বালানি সরবরাহের নির্দেশনা

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ যেন স্বাভাবिकভাবে চলতে থাকে এবং বাজারে আতঙ্ক না ছড়িয়ে পড়ে, তার জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত মোটরসাইকেলগুলোর জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে। এই নির্দেশনা আপাতত মহানগর এলাকাগুলোর জন্য কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিপিসি জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে তেল আমদানির কাজ নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী চলছে, এবং তেল দেশে ধারাবাহিকভাবে আনা হচ্ছে। প্রধান স্টেশনের মাধ্যমে রেলওয়ে ওয়াগন এবং ট্যাংকারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাঠানো অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, জনগণের চাহিদা মেটাতে ও জ্বালানি সুষ্ঠুভাবে বিতরণে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এবং বিপিসি যৌথভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, রাইড শেয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত মোটরসাইকেলগুলো প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লিটার করে তেল নিতে পারবে।

তবে এই ব্যবস্থা কার্যকরের জন্য কিছু শর্ত মানতে হবে। ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময়, গ্রাহকদের তেলের ধরন, পরিমাণ এবং দামের উল্লেখ করে ক্রয় রসিদ দিতে হবে। পরবর্তীতে তেল নিতে গেলে অবশ্যই আগের ক্রয়ের রসিদ দেখাতে হবে। পাশাপাশি, রাইড শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নম্বর ও চালকের তথ্য যাচাই করেও তেল সরবরাহ করা হবে।

বিপিসি জানিয়েছে, সরকারের নির্ধারিত মূল্যের বাইরে জ্বালানি তেল কেনাবেচা অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। দেশে প্রতি মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করে সরকার। বর্তমানে পরিস্থিতি বিবেচনায়, এখনো পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

সব মিলিয়ে, জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু চাহিদা ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে, গ্রাহক, ডিলার এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই নির্দেশনা মানতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।