বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দারিদ্র্যপ্রবণ ও দুর্ভিক্ষপ্রবণ একটি রাষ্ট্রকে উন্নত এবং স্বাবলম্বী করে তুলেছিলেন। তার নেতৃত্বে দেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল, পাশাপাশি গণতন্ত্রের পথে অবিচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যেতে ছিল। যদি তিনি আরো ১০ বছর বেঁচে থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশ হয়তো এক অনন্য দেশের রূপে গড়ে উঠত এবং সমাজে এত বেশি নেতিবাচকতা ও দুর্বলতা সৃষ্টি হত না।
রবিবার (১৪ জুন) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’। এই আলোচনা সভাটি আয়োজন করে জাতীয় প্রেসক্লাব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের স্বার্থে সবাইকে জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্মকে জিয়াউর রহমানের জীবন ও অবদান সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে হবে। এখনই সময়, যখন আবারও জিয়াকে গভীরভাবে স্মরণ করার সুযোগ এসেছে।
গণমাধ্যমের প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। গণমাধ্যমের বর্তমান সমস্যা সমাধানে তার কাছে সমস্যা গুলি তুলে ধরার প্রয়োজন আছে। একইসঙ্গে তিনি চাটুকারিতা ও অসাধু সংস্কৃতি থেকে গণমাধ্যমকে মুক্ত করে সমাজের সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার আহ্বান জানান।









