ঢাকা | রবিবার | ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

রিজভীর মন্তব্য: সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ না করলে ভালো সম্পর্ক সম্ভব নয়

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমরা একেবারেই চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, কিন্তু বারবার সীমান্তে রক্তক্ষরণ ঘটানো দিলে বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ভারতের নির্বাচন তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে, বাংলাদেশিসহ সবাই চায় সীমান্তে গুলি বন্ধ হোক এবং রক্তপাত বন্ধ হোক। গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুইজনকে গুলির ঘটনা ঘটে, যা সবাইই অনুচিত ও দুঃখজনক বলে মনে করেছে। রিজভী উল্লেখ করেন, ভারতের আচরণ সব দেশের মানুষের মনেও আঘাত হানে ও কষ্ট দেয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থায়ী ও সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য ভারতের সরকারকে সহিংসতা ও বিভক্তির মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তাঁদের পেশাকে অবমূল্যায়ন করা ঠিক নয়। জনগণ তাদের কাজে মূল্যায়ন করবে এবং যেকোনো সময় বা পরিস্থিতিতে তাদের গুরুত্ব কখনো কমবে না। রিজভী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রশংসা করে বলেন, তিনি সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নির্বাচনের অঙ্গীকারগুলো যথাযথ ও সময়মতো বাস্তবায়িত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা কখনো অপ্রয়োজনীয় প্রতিশ্রুতি দেননি, যেমন ১০ টাকা কেজি চাল বা পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান—এ ধরনের প্রতিশ্রুতি মানায় না। যুব সমাজকে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া উদ্যোগ ও নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন সম্ভব। তারেক রহমানের ঘরোয়া এই প্রতিশ্রুতির অবতারণা করার কোনও দরকার নেই। রিজভী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উন্নয়নের উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন সিঙ্গাপুর আজ এতো উন্নত, আমরা নদী ও নালা সমৃদ্ধ দেশ হলেও আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারব। তিনি সব দেশের মানুষের জন্য একটাই বার্তা দেন—আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করি।