যুক্তরাষ্ট্রে ভয়ংকর নিহতের শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মৃতদেহ দেশে পৌঁছে গেছে। শনিবার (৯ মে) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় মরদেহ বহনকারী বিমানটি। এই সময় সেখানে নিহতের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন, যারা তার শেষ বিদায় জানান।
বৃষ্টির মরদেহ ছিল ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে। তার মরদেহ শনিবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে এমিরেটসের ইকে-০২২০ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। ট্রানজিটে দুবাইয়ে খানিক সময় রেখে, পরে অন্য এক বিমান থেকে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। এর আগে, বুধবার টাম্পায় বৃষ্টির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনও নিহত হন। তিনি ও বৃষ্টির একসঙ্গে ইউএসএফ-এ পড়তেন। গত ৪ মে তার মরদেহও দেশে ফিরেছে।
নিহত দুই শিক্ষার্থীর প্রতি সম্মান জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হবে।
এ ঘটনার পেছনে মূল ঘটনা হলো, ১৬ এপ্রিল এই দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হন। ফোন বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যরা সন্দেহ হয়। পরে, তদন্তে জানা যায়, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন জামিলের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহ। তাকে পরিবার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হিশাম আবুঘরবেহ’র জিজ্ঞাসাবাদের পরে, ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় উদ্ধার করা হয় জামিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ, যা বর্জ্য পরিস্কারে ব্যবহৃত কালো ব্যাগের মধ্যে ছিল। এ ঘটনার জন্য এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি হত্যার দু’টি অভিযোগ আনা হয়েছে।









