ঢাকা | | | |

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে ঢাকায় ভারতীয় বাণিজ্য প্রতিনিধিদল

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ভারতের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি প্রতিনিধিদল তিন দিনের এক সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। এই সফর বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা আরও গভীর করার পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনা খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভারতের কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) উদ্যোগে ১৭ আগস্ট শুরু হয়ে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত এই সফর চলবে। উল্লেখ্য, সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জির নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের এই প্রতিনিধিদলে ভারতের বিভিন্ন শীর্ষ প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়ীরাও অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে ভারত বায়োটেক, ইনফ্রাভিশন ফাউন্ডেশন, গোদরেজ ইন্ডাস্ট্রিজ, অরবিন্দ লিমিটেড, এলএমডব্লিউ গ্লোবাল, মাহিন্দ্রা গ্রুপ, লারসেন অ্যান্ড টুবরো, ফোর্বস মার্শাল, নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড, অ্যাপোলো হাসপাতাল এবং ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন। এর পাশাপাশি সিআইআই সচিবালয়ের কর্মকর্তারাও এই প্রতিনিধিদলের অংশ। সফরকালীন সময়ে প্রতিনিধি দলটি অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামীম ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আশা করা যায়, এসব বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা, ব্যবসায়ী সংযোগ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার বিষয়গুলো আলোচনা হবে। এই সফরের অংশ হিসেবে প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) আয়োজন করা এক মধ্যাহ্নভোজসভায় যোগ দেবেন, যেখানে সরাসরি বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের ও ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্প ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য নতুন সুযোগ ও দিগন্ত খুলে যাবে। সফরকালে দু’দেশের ব্যবসায়ী ও সরকারি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন, নতুন সম্ভাবনা খুঁজে বের করবেন এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ব্যাপারে আলোচনা চালনা করবেন। এশিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ সফর উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘদীন থেকে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।