প্রতিদিন দেশে আবাদি জমির পরিমাণ কমছে। প্রতি দিন এই কমতি হয় প্রায় ৩০৭ একর। এই পরিস্থিতিতে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক চাষাবাদের বিকল্প নেই। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষিতে যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, তা মোকাবেলা করতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্টের উদ্যোগে এক সূচনামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষি বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তারা অংশ নেন, যারা কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম খান, এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিএইর পরিকল্পনা শাখার পরিচালক মো. আব্দুস সাত্তার ও হর্টিকালচার শাখার পরিচালক মো. হযরত আলী। প্রকল্পের সামগ্রিক দিক তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক খন্দকার মোহাম্মদ রাশেদ ইফতেখার।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, স্মার্ট বলতে যা বোঝায়, তা শুধুমাত্র আধুনিক নয়, বরং আরও যুগোপযোগী ও উন্নত প্রযুক্তি ও স্থানীয় উপায়সমূহ যুক্ত করতে হবে। তিনি কৃষিকে আবহাওয়ার পরিবর্তন ও জলবায়ু সংশ্লিষ্ট ঝুঁকির বিপরীতে শক্তিশালী করতে নতুন দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, প্রতি দিন আবাদি জমি কমছে, তাই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গবেষণা, উন্নত প্রযুক্তি এবং উন্নত বীজ উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে।
আব্দুর রহিম আরও বলেন, কৃষকদের দিকনির্দেশনা দিতে হলে অবশ্যই আমাদের স্মার্ট হতে হবে। দেশের কল্যাণ, কৃষি উৎপাদনের বৃদ্ধি এবং সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য আমাদের পরিকল্পনাগুলো মেধা ও মনন দিয়ে করতে হবে।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে। এটি বাংলাদেশের ১৭টি জেলায় ২৭টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা কৃষি উন্নয়নের জন্য নানা দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।









