ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২৮শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

সড়ক পরিবহন ও রেলমন্ত্রী ঈদযাত্রা সফলের দাবি

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপথে বিভীন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, দেড় কোটি মানুষের ঈদযাত্রা, প্রায় ৮০ লাখ কোরবানির পশু পরিবহন এবং বিভিন্ন মাধ্যমে আন্তঃমহাসড়ক, রেলওয়ে ও নৌপথে যাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে সবাই নির্ধারিত ভাড়ায় এবং শৃঙ্খলার সঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছেছেন। নানা অভিযোগ ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও সবাই মিলে একটি সুন্দর এবং সফল ঈদযাত্রা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে এ পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, সরকার ঈদযাত্রা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে। চন্দ্রা এলাকার यातায়াজট বা ধীরগতি যদিও কিছুটা দেখা গেছে, কারণ সাত লেনের রাস্তার দুই লেনে যানবাহন প্রবেশের ফলে গতি কমে গেছে, তবে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, বিআরটিএর কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করা হচ্ছে এবং যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানাই যায়, অধিকাংশই নির্ধারিত ভাড়ার মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছেছেন। দেড় কোটি মানুষ দুই-তিন দিনের মধ্যে ঢাকায় ফিরে এসেছেন, এছাড়া প্রায় ৮০ লাখ কোরবানির পশু পরিবহন করার কাজও চলছে।

ভাড়ার অতিরিক্ত চাপের বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, কিছু অসাধু ব্যক্তি কাউন্টার ও বাসস্ট্যান্ডের বাইরে সুযোগ নিতে চাচ্ছে। তবে এ ধরনের অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, জড়িত ব্যক্তিদের জরিমানা করা হয় এবং কঠোর নজরদারিতে রাখা হয় যেন অতিরিক্ত ভাড়ার সুযোগ না হয়।

রেলপথে নারীদের জন্য বিশেষ কোচ সংযুক্ত করার বিষয়ে তিনি জানান, ইতিমধ্যে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে তিনটি ট্রেনে বিশেষ কোচ যুক্ত করা হয়েছে। এ জন্য অল্প সময়ের মধ্যে সব ট্রেনে সুযোগ হয়নি কারণ অধিকাংশ টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গেছে এবং পর্যাপ্ত কোচও উপলব্ধ নেই। তবে ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ৫১টি কোচ ইতিমধ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়াও, উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রো স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানোর বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, এর আগে এ ধরনের সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা করে বিস্তারিত জানার জন্য বলেছেন। যারা এখানে ইজারা নিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।