ঢাকা | শনিবার | ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল

আজ বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল শক্তি হিসেবে পরিচিত রেমিট্যান্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, এই অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শ্রম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান প্রথমে শ্রমনীতি প্রবর্তন করেন, যা শ্রমিক সমাজের কল্যাণে বেশ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি ১৯৭৬ সালে মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের শ্রমিকেরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে সক্ষম হয়েছে।

অতঃপর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন করে শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণের জন্য বিভিন্ন ধাপ গ্রহণ করেন। বর্তমান সরকারও শ্রমজীবীদের অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের উন্নয়নে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। শিল্পকলাখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্মসহ সব খাতে শ্রমিকেরা কঠোর পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতি ও সভ্যতার অগ্রগতি চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স ও তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে চলেছে, যা অর্থনীতির প্রাণশক্তি।

তিনি আরও বলেন, সরকার শ্রমিকদের কল্যাণে ধাপে ধাপে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। কিছু মাসের মধ্যেই চিনিকল, রেশম পাট ও শিল্প কারখানা চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা হবে। মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে আস্থা ও সৌহার্দ্য রেখে, পারস্পরিক সহযোগিতায় উৎপাদনশীলতা ও শিল্পের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রমে উৎসাহ দেওয়া হবে, যাতে শ্রমিক ও মালিকের অধিকার রক্ষা হয় এবং দেশের শিল্প উন্নত হয়।