ঢাকা | শুক্রবার | ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

সরকার রেলওয়েকে আর লোকসানি দেখতে চায় না: রেলমন্ত্রী

সরকার বাংলাদেশ রেলওয়েকে আর জনরোষের প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায় না। বরং, এটি উন্নত, লাভজনক এবং সাধারণ মানুষের জন্য আরও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই কথা বলেন নতুন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রাজধানীর আব্দুল গণি রোডের রেল ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রেলের উন্নয়ন ও যাত্রীসেবা মান বাড়ানোর জন্য অনেক গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে রেলকে জাতীয় পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মূলত, টিকিট কালোবাজারি বন্ধ, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং যাত্রীসেবা উন্নত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্ঝঞ্ঝাট ও হয়রানিমুক্ত রেলযাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য একটি কার্যকরী পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেনের যাত্রার সময় কমানোর জন্য এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা দ্রুত ও আরামদায়ক পরিবেশে যাত্রা করতে পারেন।

সভায় সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজীব আহসান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।