গত জুন মাসে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে চালানো অভিযান চালিয়ে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) ব্যাপক পরিমাণ চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে। এর মূল্য প্রায় ৩০৭ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার টাকা। এই জব্দকৃত পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বর্ণ, শাড়ি, থ্রিপিস, চাদর, কম্বল, তৈরি পোশাক, বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস, আতশবাজি, কাঠ, চা পাতা, সুপারি, কয়লা, বিড়ি ও সিগারেট, মোবাইল ফোন ও যন্ত্রাংশ, বৈদ্যুতিক সামগ্রী, জিরা, রসুন, চিনি, সার, মাছের পোনা, ভোজ্য তেল, কীটনাশক, ওষুধ, বিভিন্ন ধরনের বীজ, যানবাহনের যন্ত্রাংশ, ট্রাক, পিকআপ, গাড়ি, ট্রাক্টর, ট্রলি, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল।
এছাড়া, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে দেশি ও বিদেশি পিস্তল, রাইফেল, ম্যাগাজিন, গোলাবারুদ, মাইন, গ্রেনেডসহ বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র। মাদকদ্রব্যের মধ্যে জব্দ হয় ব্যাপক পরিমাণ ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ, হেরোইন, ফেনসিডিল, বিদেশি ও বাংলার মদ, বিয়ার, গাঁজা, নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ইনজেকশন, সিরাপ ও ওষুধ।
বিজিবি জানায়, এই সময়ে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকসহ চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ২১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের জন্য ৪৭ জন বাংলাদেশি, একজন ভারতীয় ও ২৮৪ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ সরকারের এই কঠোর অভিযান দেশের সীমান্তকে চোরাচালান ও মাদক মুক্ত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে।









