পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যশোর ও খুলনার সীমান্ত এলাকাগুলিতে চোরাকারবারি, পুশইন ও কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে ঈদ পরবর্তী সময়ে সীমান্তের অপরাধ কোনোভাবেই যেন না বাড়ে, সে জন্য নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ মে) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান। তিনি বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক পশু কোরবানি হয়, যা সাধারণত চামড়া পাচারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এজন্য সীমান্ত দিয়ে যেন কোনোভাবেই পশুর চামড়া ভারতে পাচার না হয়, সে জন্য বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক থাকছেন। বিশেষ করে রাতের টহল আরও বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও, সীমান্তের আশপাশ এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে সকলকে সচেতন করা হচ্ছে।
অধিকর্তা আরো জানান, পুশইন, চামড়া পাচার, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান রোধে সীমান্তে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। সীমান্ত এলাকাগুলিতে টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে যশোরের বিভিন্ন সীমান্ত রুটকে চামড়া পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে শার্শা উপজেলার ১০২ কিলোমিটার সীমান্তের কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা, রঘুনাথপুর, বেনাপোলের পুটখালি, দৌলতপুর, সাদিপুর, ঘিবা, গোগা, রুদ্রপুর, অগ্রভুলোট, পাঁচভুলোট ও দাদখালি এলাকাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
আজকের খবর/ এমকে









