পবিত্র ঈদুল আযহা ১৪৪৭ হিজরি উপলক্ষে এবারও রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেক জামাতের সময় অনুযায়ী ইমামতি ও মুকাব্বিরের দায়িত্ব সম্পন্ন করবেন আলেমরা, যাতে নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে ঈদ উৎসব উদযাপন সম্ভব হয়। প্রথম জামাত শুরু হবে সকাল ৭টায়।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) দেশের সব ধরনের পরিবেশ and আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে পবিত্র ঈদুল আযহার উদযাপন হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) এর দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পক্ষ থেকে ঈদের জামাতের জন্য ইমাম ও মুকাব্বিরের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় দেশের বিভিন্ন আলেম ও মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ থাকবেন।
প্রথম জামাতে, সকাল ৭টায়, বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. মিযানুর রহমান ইমামতি করবেন। এর মুকাব্বির থাকবেন মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারি ইসহাক।
পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়, যেখানে ইমাম হিসেবে থাকবেন ড. মাওলানা ওয়ালীয়ূর রহমান খান, জাকাত ফান্ড বিভাগের পরিচালক। মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন মসজিদের চিফ খাদেম মো. নাসির উল্লাহ।
তৃতীয় জামাতে, সকাল ৯টায়, ইমামতি করবেন ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আবুল্লাহ, এবং মুকাব্বির থাকবেন মো. রুহুল আমিন।
চতুর্থ জামাতে, সকাল ১০টায়, দায়িত্বে থাকবেন ইফা এর দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নূর উদ্দীন, এবং মুকাব্বির হবেন মো. আব্দুল হাদী।
শেষ এবং পঞ্চম জামাত হবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে, যেখানে ইমাম হিসেবে থাকবেন জুবাইর আহাম্মদ আল-আযহারি, ধর্মীয় প্রশিক্ষক ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি এবং মুকাব্বির থাকবেন মো. আমির হোসেন।
যে কোনও জামাতে যদি নির্ধারিত ইমাম অপ্রাপ্য থাকেন, তবে বিকল্প হিসেবে ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. শহিদুল ইসলাম ও বিকল্প মুকাব্বির হিসেবে মো. শামসুল হক দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সকল সংশ্লিষ্ট ইমাম, মুকাব্বির ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গকে অনুরোধ করা হয়েছে তারা নির্ধারিত সময়ের আগে জাতীয় মসজিদে উপস্থিত থাকবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঈদের নিরাপদ ও সুন্দর উদযাপন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।









