ঢাকা | রবিবার | ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান: বৈধ উৎস থেকে কোরবানির পশু কিনুন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু স্পষ্টভাবে বলেছেন, অবৈধ বা চুরি পথে আনা পশু নয়, বরং সর্বদা বৈধ ও শরিয়ত সম্মতভাবে কোরবানির পশু কেনার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি জানান, অবৈধভাবে আনা পশুর কোরবানির উপকারিতা ও শুদ্ধতা বিষয়ে ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও মুফতি গুণগতভাবে মতামত প্রদান করবেন। এসব কথা তিনি শনিবার সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, “কোরবানি আল্লাহকে রাজি-খুশি করার জন্য। সুতরাং, সবাইকে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে যাতে কোরবানি সহিহ ও হালাল পদ্ধতিতে হয়।” তিনি জানান, এই মৌসুমে কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ মেডিকেল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে পশুর সমস্যা শনাক্ত, জরুরি চিকিৎসা, জ্বর পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে আছেন যাতে পশুর স্বাস্থ্য ঝুঁকি দ্রুত নিরাময় হয়। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এবারের জন্য দেশে প্রায় এক কোটি ২৩ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে, যাদের চাহিদা এক কোটি এক লাখ। এর ফলে প্রায় ২২ লাখ পশু অতিরিক্ত থাকবে, ফলে বিদেশ থেকে পশু আমদানির প্রয়োজন হবে না। দেশের খামারির স্বার্থ রক্ষার্থে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হাটের ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা জোরদার ও বাজারে প্রতারণা রোধে সরকার সচেতন, বলে তিনি ঘোষণা করেন। জাল টাকা শনাক্তকালে বিশেষ প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।