ঢাকা | শনিবার | ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৬ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

এপ্রিল মাসে দুই ড giữ তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

চলতি এপ্রিল মাসে দেশে সাধারণত স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যেতে পারে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়াও, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে পারে একটি ঘূর্ণিঝড়।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় গত বুধবার এই পূর্বাভাস ঘোষণা করা হয়। এতে জানানো হয়, এ মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুই থেকে চারটি মৃদু বা মাঝারি এবং এক থেকে দুইটি তীব্র তাপপ্রবাহের আভাস রয়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। তবে দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

অতিরিক্তভাবে, সমুদ্রের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক বা দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এছাড়া, কালবৈশাখীর দাপটও দেখা দিতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে শিলাবৃষ্টি, হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ঝড় ৫ থেকে ৭ দিন এবং তীব্র কালবৈশাখী ঝড় ১ থেকে ৩ দিন পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

অহংকারী মার্চ মাসে দেশের স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। গত মাসে যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কৃষি বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিলে দেশের প্রধান নদীগুলোর পানির প্রবাহ সাধারণ থাকতে পারে। একই সঙ্গে, এ সময় দৈনিক গড়ে ৫.৫ থেকে ৭.৫ ঘণ্টা সূর্যকিরণ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং বাষ্পীভবনের হার ৩.০ থেকে ৫.০ মিলিমিটার হতে পারে।

এমন আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে দেশের কৃষি, জলবায়ু ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সর্বশেষ হালনাগাদ ও সতর্কতা জারি রাখতে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মানার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আজকের খবর / এমকে