আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নিশ্চিত করেছে, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না।
ভাগ্যক্রমিকভাবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে ঘিরে সৃষ্টি হওয়া সংকটের প্রেক্ষিতে লাহোরে রোববার আইসিসির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান মহসিন নাকভি ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ঐ বৈঠকের পর সোমবার রাতে আইসিসি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আলোচনার বিস্তারিত জানায়।
আইসিসির বিবরণীতে বলা হয়েছে আলোচনা ছিল উন্মুক্ত, গঠনমূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ; যেখানে শুধু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রিকেটের বৃহত্তর ভবিষ্যৎ ও সহযোগিতার দিকগুলো নিয়েও কথা হয়েছে।
আইসিসি এই প্রেক্ষাপটে বিসিবির পূর্ণ সদস্য হিসেবে অবস্থান পুনরায় নিশ্চিত করেছে এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের ঐতিহ্য ও বিশ্বব্যাপী ভূমিকার দিকে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছে। সংগঠনটি উল্লেখ করেছে যে বাংলাদেশের বিশাল ভক্তবৃন্দ—প্রায় ২০ কোটিরও বেশি সমর্থক—ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার এবং তাদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে, যাতে বিশ্বকাপ থেকে অনুপস্থিতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব না পড়ে।
তদন্ত বা শাস্তির বিষয়েও আইসিসি স্পষ্ট করেছে যে বিসিবির বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক, ক্রীড়া বা প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা হবে না। পাশাপাশি যদি বিসিবি চান, তারা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি (ডিআরসি)-র কাছে আপিল করতে পারবেন—এই অধিকার আইসিসির নিয়মাবলীর অধীনে অক্ষুন্ন থাকবে।
আরও বলা হয়েছে, আইসিসির নিয়মশৃঙ্খলা ও প্রক্রিয়া মেনে চললে ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশকে আরেকটি আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও বিবেচনার মধ্যে আছে।
আইসিসির এই সিদ্ধান্ত ও দৃষ্টিভঙ্গি যেনো নিরপেক্ষতা, ন্যায্যতা এবং শাস্তির পরিবর্তে সহায়তার উপর জোর দেয়—এটাই বৈঠকে বেশ स्पष्टভাবে ফুটে উঠেছে।
রিপোর্ট: এমকে









