ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ: মির্জা ফিরখরুল

গণমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বুধবার (১১ মার্চ) বিএনপি পরিচালিত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজিত ইফতার ও আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল গত বছরগুলোতে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও সাহসিকতা অমূল্য। পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে বলেন, ফ্যাসিস্ট শক্তির মতো কেউ যেন আবারও সাংবাদিকদের ওপর আঘাতের চেষ্টা না করে, এ বিষয়টি সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে যত্ন নেওয়া দরকার। একটিই প্রত্যাশা তিনি করেন, মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম যেন সবসময় সক্রিয় থাকে এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখে।

মির্জা ফখরুল আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জন্য একটি উদারপন্থি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার সুযোগ এসেছে। তিনি বলেন, আগামীকাল দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন হতে যাচ্ছে, যখন নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন হলে নতুন সংসদ গঠিত হবে। সেই সংসদকে দেশের সকল কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, গত ১৭ বছরে অনেক সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। হামলা ও মামলা-মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হলো অনেককে। ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি না উঠে, তার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চাকে পরিকল্পিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, মবে কালচার বা হিংসাত্মক আচরণ গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দেয়। গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে গণতন্ত্রের অগ্রগতি অব্যাহত থাকে।

এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও প্রগতির জন্য জনগণ, রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যম—এই তিন শক্তির সমন্বয় অপরিহার্য। এই একত্রিত প্রচেষ্টাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।