দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী নিজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা করেছেন। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এই অনন্য সভা আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ সভায় তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, আমরা এই দেশকে আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা মনে করি। দেশটির উন্নয়নের জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য প্রত্যেকের দায়িত্ব অনেক বেশি। সরকারের অংশ হিসেবে তারা দেশের বিভিন্ন খাতে—স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ক্রীড়া—বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেনিফেস্টোর বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করতে থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য, বাংলাদেশিরা এখন অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। তারা তখনই সফল হবেন যখন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের সহযোগিতা করবেন। এছাড়া, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি, যেখানে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুর্নীতি রোধে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন। গোপনীয় বিষয়গুলো সতর্কতার সঙ্গে সম্পাদন ও দেশের সামগ্রিক স্বার্থে সরকারি নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে মেনে চলার জন্যও নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এBdম আব্দুস সাত্তার এই সভার স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী কার্যালয়ের গঠন ও কার্যক্রমের উপর একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। এ ছাড়াও, কার্যালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সভা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা যোগাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আজকের খবর/বিএস









