ঢাকা | শনিবার | ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১১ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

সাতক্ষীরায় উৎপত্তি হওয়া বড় ভূমিকম্পে দেশ কাঁপল

আজ (শুক্রবার) দুপুরের দিকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এই ভূকম্পনটি মূলত সাতক্ষীরার আশাশুনি এলাকায় উৎপত্তি হয়েছে এবং পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়। দুপুর পৌনে ২টার দিকে মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্টের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৩। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি, যা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। এই কম্পন অনুভব করে অনেক মানুষ আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে চলে যান মসজিদ বা বাড়ি থেকে বাইরে। অনেকেই দরজা-জানালা ঝকমক করে ভয় নিয়ে তাকাতে থাকেন। আশেপাশের এলাকাগুলোতে এই ভূমিকম্পে রক্তচাপ বাড়ছে, আর স্বজনরা ভেঙে পড়ছেন হতাশায়। তবে এখন পর্যন্ত প্রাথমিক কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৬ দিনে দেশটি কম্পনে কেঁপেছে অন্তত আটবার, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি মাঝারি থেকে তীব্র ছিল। এর আগে বুধবার রাতে মিয়ানমারে সৃষ্ট ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। এর আগের মাসে, ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার হালকা কম্পন শুরু হয়, এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি ওই এলাকায় তিনবার এবং অন্যান্য স্থানে যেমন কলারোয়ায় ৪.১, মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। এরপর মার্চেও সিলেটে কয়েকটি কম্পন দেখা যায়, আর সুনামগঞ্জে ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। সব মিলিয়ে এই ঊনত্রিশ দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রদেশে আটবার কেঁপে উঠেছে ভূখণ্ড। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ভূমিকম্পের সঙ্গে আমাদের সুস্থ ও প্রস্তুত থাকতে হবে।