প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর গুরুত্ব দিয়েছেন। মঙ্গলবার তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এই উদ্যোগ গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, এতে শ্রমবাজারে নতুন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতির ধারা আরও সচল হবে। তবে, এই উদ্যোগে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কীভাবে অংশগ্রহণ করবেন ও অংশীদারিত্বের ধরন কেমন হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বিএনপি রাজনীতির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা তুলে ধরেছে। এর আওতায় প্রসঙ্গত, পুরোনো শ্রমিকদের কাজে বহাল রেখে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার তথ্য অনুযায়ী, পাটকল ও চিনিকলের মতো শিল্পগুলো খোলা হলে শ্রমিকদের জন্য নতুন রুচি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়, ২০২৪ সালের জুন মাসে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, বন্ধ বা ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সংখ্যা ছিল মোট ৩৯৭টি। এর মধ্যে, বিসিকের নিয়ন্ত্রণাধীন রুগ্ন বা বন্ধ শিল্প ৩৮২টি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের নীতিতে লিপ্ত আরও কিছু কারখানা এবং চিনিকলসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত দুই বছরে এই সংখ্যাগুলো আরও বেড়েছে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।
বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এই উদ্যোগের নির্দেশ দিয়েছেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ কমিটি এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করেছে।’









