ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

ইসির সীমানা অনুযায়ী পাবনা দুই সংসদীয় আসনে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী, পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন আয়োজনের ওপর কোনো আইনি বাধা নেই বলে আপিল বিভাগ রায় দিয়েছেন। এই আদেশের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। ফলে, বোঝা যায় যে, সাঁথিয়া উপজেলা পাবনা-১ এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা পাবনা-২ আসন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অর্থাৎ, এর ফলে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে আগের মতো পাবনা-২ আসনের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তথাপি, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পাবনা-১ ও ২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত রাখা হয়।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষে এ বিষয়ে শুনানি করেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, এবং বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী শুনানি করেন।

আগে, ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা লিভ টু আপিলের শুনানির দিন ধার্য ছিল ১৫ জানুয়ারি। এর আগে, ১৩ জানুয়ারি, নির্বাচন কমিশন ওই দুই আসনে নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে। এ আবেদনে তারা দ্রুত নির্বাচন শুরু করার জন্য নির্দেশনা চায়।

উল্লেখ্য, পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এই আবেদনের পক্ষে দাঁড়ান।

অন্যদিকে, এর আগে, ১৮ ডিসেম্বর, হাইকোর্ট ওই দুই আসনের জন্য গেজেটের অংশবিশেষকে আইনি কর্তৃত্ববিরুদ্ধ বলে ঘোষণা করে এবং আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধেও লিভ টু আপিল করা হয়।

সুতরাং, সব জটিলতা কাটিয়ে, এখন নির্ধারিত তারিখে নির্ধারিত এই দুই আসনের নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজকের খবর/বিএস