ঢাকা | বুধবার | ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

চলতি মাসে আরও একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আগাম সতর্কতা

দেশজুড়ে তুষারপাতের সাথে শীতের প্রকোপ আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুর বিভাগ এবং খুলনা, মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়া আধিদপ্তর জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং এ মাসে আরও একাধিক শৈত্যপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রধান আবহাওয়া বিশ্লেষক হাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার (১০ জানুয়ারি) থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, ফলে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাবে। বুধবার সকাল ৯টার মধ্যে শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর ঢাকায় তা ছিল ১২.৯ ডিগ্রি। অপরদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে পরিষ্কার লঘুচাপ, যার কারণে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা কমে গেছে, তবে বাতাসের তীব্রতা বেড়েছে। এর ফলে নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ শীতের কম্বল বা গরম কাপড়ের অভাবে পড়েছেন বিপাকে। দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষরা পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র পেয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না, আর তাদের আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় সমস্যা আরও বাড়ছে। সরকারি ও বেসরকারী সংস্থাগুলির বিভিন্ন উদ্যোগের পরও পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ সম্ভব হয়নি বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। রাজশাহীতে শীতের কাপড়ের অভাবে গরীব ও ছিন্নমূল মানুষের কষ্ট আরও বাড়ছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকার বলছেন, তাঁরা ৩২ হাজার কম্বল বিতরণ করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। নীলফামারীতে কিছুদিন ধরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির আশপাশে অবস্থান করছে। পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় দিনরাত তীব্র ঠাণ্ডায় কষ্ট পাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। যশোরেও শৈত্যপ্রবাহের সাথে সঙ্গে কাঁপুনি বেড়েছে, আর ভয়াবহ আবহাওয়ার কারণে শ্রমিকরা কাজের জন্য বের হতে পারছেন না। ফলস্বরূপ, তাদের আয় কমে যাচ্ছে, যা কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে তাদের জন্য।