ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ভারতের ফুটবল আবারও বিষাক্ত নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে

তিন বছর মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা ভারতের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে, ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (এএফসি) পক্ষ থেকে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনকে (এআইএফএফ) শক্তভাবে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

ফিফা দাবি করেছে, যদি তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ বন্ধ না করা হয় এবং ৩০ আগস্টের মধ্যে নতুন সংবিধান কার্যকর না করা হয়, তাহলে এআইএফএফকে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে সংবিধানের সংশোধনের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি, যা ভারতের ফুটবলের ভবিষ্যতকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

ফিফা ও এএফসি অ্যাটর্নির নির্দেশে, সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, সংবিধান সংশোধনের সময় উভয় সংস্থার নিয়ম ও নীতির সাথে যথাযথ সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হবে। চিঠিতে জোর দিয়ে জানানো হয়েছে, সরকারি সংস্থা বা কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই এআইএফএফকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে।

এআইএফএফ-এর ভবিষ্যত সিদ্ধান্তের জন্য আগামী সাধারণ সভায় এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচনা করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অন্তত, ফরোয়ার্ডের পাঠানো চিঠি সুপ্রিম কোর্টের কাছে প্রেরণ করবেন কল্যাণ চৌবে। কেন্দ্রের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রণালয়কেও জানানো হবে, যাতে দ্রুত রায় দেওয়া যায়।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট ফেডারেশনকে নিষিদ্ধ করে ফিফা। সেই সময় সুপ্রিম কোর্টের নিয়োজিত প্রশাসক কমিটি ফেডারেশনের কাজ পরিচালনা করছিল, যা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ হিসেবে دیکھا হয়। এরপর কিছুদিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। এরপর নির্বাচনের মাধ্যমে কল্যাণ চৌবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।