প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি আন্তরিকভাবে আহ্বান জানিয়েছেন, আসুন আমরা সবাই একজোট হয়ে আমাদের দেশের পরিবেশ রক্ষা ও সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করি। তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও সবল দেশ বা পরিবেশ গড়ে উঠবে।
আজ সোমবার সকালে নিজের প্রচারকেন্দ্রের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান করেন।
প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘পরিচ্ছন্নতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি সমাজের প্রতিটি স্তরকে স্পর্শ করে। গত চেনা পথ-ঘাট, বাজার ও শহরাঞ্চলে প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, ব্যবহৃত টিস্যু ও অন্যান্য আবর্জনা আজ কাকতলীয় হয়ে গেছে, যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অবজ্ঞার ও আবর্জনার সঠিক নিষ্পত্তির ওপর জোর দিয়ে আমি বলব, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ পায়ে হেঁটে বা বাসে সফর করে। এই মানুষগুলো যখন রাস্তাঘাট দিয়ে যায়, তখন রাস্তার মধ্যে আবর্জনা ও ময়লা জমে থাকা দেখে তারা কষ্ট পায়। দুর্গন্ধ, ক্লান্তি ও অসহনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তাই যদি আমরা সবাই সচেতন হই এবং ব্যবহৃত আবর্জনাগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলে সেগুলো পরবর্তী ধ্বংসের জন্য সংরক্ষণ করি, তাহলে আমাদের পরিবেশ নড়বড়ে হবে না এবং পরিবেশের সৌন্দর্য্য বজায় থাকবে।’
নিজের ঘরের পরিস্কার-পরিছন্নতার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাবুন, আপনার বাসা বা পরিবারের ঘরে যদি সবুজ গাছপালা ও সুন্দর পরিবেশ থাকতো, তবে আপনার কেমন লাগতো? নিশ্চয়ই ভালো লাগত না। আমাদেরও উচিত এটা বুঝে আধুনিক ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা।’
তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তার বর্তমানে চলমান সফরগুলোর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে বলেন, ‘অতীতের তুলনায় এখন অনেক স্থানে পুকুর, জলাধার ও খালগুলোতে ময়লা জমে থাকার দৃশ্য দেখতে পাই। একসময় এগুলো মানুষ ছোটছোট নদী বা পুকুরে বসবাস ও গল্পের জন্য ব্যবহার করতো। কিন্তু এখন সেখানে আবর্জনা ভরে গেছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যখন কোথাও যাই, তখন পরিচ্ছন্নকর্মীরা আমাদের জন্য পরিষ্কার করে থাকেন। কিন্তু আমরা যখন ফিরে আসি, তখন দেখব সবকিছু আগের মতো পরিচ্ছন্ন নয়। যদি আমরা সবাই সচেতনভাবে আমাদের আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে পারি, তাহলে সততার সঙ্গে সুন্দর এবং সুস্থ পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো।’
সচেতনতা ও পরিস্কার-পরিছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি অনুরোধ করেন, ‘আজ থেকেই প্রত্যেকে সচেতন হই। আমাদের ব্যবহৃত আবর্জনাগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে যত্ন সহকারে ফেলি। তাহলে ধীরে ধীরে আমাদের বাংলাদেশকে আবর্জনা মুক্ত করার পথ সহজ হয়ে যাবে। আমরা একসঙ্গে কাজ করলে একটি সুন্দর ও উন্নত দেশ গড়ে তুলতে পারবো।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ আমাদের সকলের। আমরা সবাই মিলে যদি একসাথে কাজ করি, তাহলে দেশকে আরও উন্নত ও সুন্দর করে তুলতে পারবো। সেজন্য আমি 여러분ের কাছ থেকে সহযোগিতা ও সচেতনতা আশা করছি।’









