বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে। তিনি এই ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে বলেন, অপরিকল্পিত প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় চলবে না। এই মন্তব্য করেন তিনি আজ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সভায়।
এর মধ্যে একটি সভা ছিল, যেখানে জ্বালানি ও বিদ্যুতের চাহিদা, উৎপাদন এবং বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও সাশ্রয়ী করার জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রস্তাব আলোচনা করা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কোথায় কী ধরনের খনিজ সম্পদ রয়েছে, তার একটি সুসংগঠিত ও আধুনিক মানচিত্র বা রূপরেখা তৈরি করতে হবে যাতে প্রতিটি বিভাগে সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বয় সম্ভব হয়। ভূগর্ভস্থ সম্পদের সঠিক চিত্র থাকলে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ সহজে একত্রিত হয়ে কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে ও সামনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন আরও গতিশীল হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রকৃত জোনভিত্তিক জ্বালানি চাহিদা ও সরবরাহের মানচিত্র থাকা দরকার। কোথায় আমাদের কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে হবে এবং সময় নষ্ট না করেও পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে। প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহারে সরকারের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিনে বিদ্যুৎ বিভাগের একটি আলাদা সভায় প্রতিমন্ত্রী অননুমোদিত প্রকল্প পর্যবেক্ষণ ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য শুনে যাচাই-বাছাই করার জন্য অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, কিভাবে পূর্বের মতো অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের পেছনে জনগণের অর্থ অপচয় হয়, তা দেখা দিয়ে, এই অপচয় বন্ধ করতে হবে। এজন্য তিনি সমস্ত তথ্য ও উপাত্ত যথাযথভাবে উপস্থাপনের নির্দেশ দেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সেবামূলক এই খাতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বৈঠকে বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখসহ উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের জটিলতা কাটিয়ে যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সম্ভব হবে এবং জনগণের স্বার্থ সুরক্ষা করা যাবে।









