ঢাকা | | | |

পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর চলে গেছে

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও উজানের বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি নদীর নদীসের স্টেশনে পানি এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী এ পরিস্থিতি দেখা গেছে। বর্তমানে সতর্কতার জন্য নিরীক্ষণ হওয়া ১২৭টি স্টেশনের মধ্যে ৭৯টিতে পানির স্তর বেড়ে গেছে, ৪৩টিতে কমেছে ও ৫টিতে অপরিবর্তিত রয়েছে। বিশেষ করে বেশ কিছু নদীর স্টেশন বিপৎসীমা ছাড়িয়ে গেছে। সাঙ্গু নদীর বান্দরবান ও দোহাজারী পয়েন্টে পানি যথাক্রমে ৯৫ ও ২৩ সেন্টিমিটার, মাতামুহুরী নদীর লামা ও চিরিঙ্গা পয়েন্টে ৪৭ ও ৩২ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১৮ ও ১০ সেন্টিমিটার, মনু নদীর মনু রেলওয়ে ব্রিজ ও মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৩৫ ও ৮০ সেন্টিমিটার এবং খোয়াই নদীর বল্লা পয়েন্টে ৬০ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এ ছাড়া আরও ৯টি স্টেশনে সতর্ক সীমার মধ্যে রয়েছে। এসব নদীর স্টেশনগুলো হলো— তিস্তা নদীর ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (লালমনিরহাট), তারাপুর (গাইবান্ধা); কুশিয়ারা নদীর শেরপুর (মৌলভীবাজার); সুরমা নদীর কানাইঘাট (সিলেট), ছাতক ও সুনামগঞ্জ; সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) এবং ছোট ফেনী নদীর কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী)। ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে একই সময়ে সর্বোচ্চ ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।