ঢাকা | রবিবার | ৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

আরওহণের জন্য ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন সারাদেশে

বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো জেলা প্রশাসকদের সম্মেলন শুরু হয়েছে। রবিবার (৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এই সম্মেলনে উন্নয়ন ও সংস্কার বিষয়ক ৪৯৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন এবং আলোচনার জন্য সংযুক্ত হয়েছে, যেখানে এর আগের প্রস্তাবনা ছিল মোট ১ হাজার ৭২৯টি।

ডিসি সম্মেলনে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা সরকার পরিচালনার মূল দর্শন তুলে ধরছেন। ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনাররা ৩০টি অধিবেশনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ এবং প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কার্যঅধিবেশনে অংশ নেবেন ডিসিরা।

আজ রাত সাড়ে ৮টায় ডিসিরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। আগামীকাল ৪ মে, সোমবার, তারা স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তারপর, ৫ মে, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে আলোচনা ও নির্দেশনা গ্রহণ করবেন ডিসিরা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, এই সম্মেলনের জন্য গতকাল শনিবার অর্থাৎ ২ মে, ছুটির দিনে তারা বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন। অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির বলেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও জনগণের জবাবদিহিতা আরও সুদৃঢ় হবে। এছাড়া, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের কাজের আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই সম্মেলনের সময়সীমা এক দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সংকটের কথা বিবেচনা করে এবারের ডিসি সম্মেলনের ব্যয় বরাদ্দ কমানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, গত বছর ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও খরচ হয় ১ কোটি ২ লাখ টাকা। এবার এর বাজেট ধরা হয়েছে ৭১ লাখ টাকা। যেখানে প্রয়োজন ও এর বাইরে না গিয়ে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোই সম্পন্ন করা হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিসিদের প্রস্তাবগুলোও উপস্থাপন করা হয়। এবারের সম্মেলনে মোট ৫০টি প্রস্তাব পেশ করা হয়। এর মধ্যে জনসেবা, স্বাস্থ্যসেবা, মানুষের দুর্ভোগ কমানো, রাস্তাঘাট ও যোগাযোগের উন্নয়ন, পর্যটন বিকাশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। উল্লেখযোগ্য, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৪টি প্রস্তাব sağlıkসেবা বিভাগসংক্রান্ত।