ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ইইউ নির্বাচন মিশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ পাননি

বাংলাদেশের নির্বাচনের ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন ১৯টি সুপারিশ উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে ছয়টি সুপারিশকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন সম্ভাবনা দেখা যায়। ইইউ আশা করছে, ভবিষ্যতে এই প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ হবে।

এছাড়াও, এক সাক্ষাৎকারে ইইউর নির্বাচন মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস জানান, এবারের অনুষ্ঠানে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা ভোটের বিভিন্ন ধরনের কারচুপির অভিযোগ তারা পাননি। তিনি বলেন, ‘তৃতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমাদের চোখে কোনও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অপপ্রক্রিয়া পড়েনি। যদি কোনো রাজনৈতিক দল এ ধরনের অভিযোগ করে, তাহলে তারা আইনি মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারে।’

ইজাবস আরও যোগ করেন, ২০০৮ সাল থেকে এর পরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মধ্যে এতটুকু বিশ্বাসযোগ্যতা দেখা যায়নি। এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে, এবং সুশাসনের জন্য খোলসা পথ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের সময় নিরাপত্তার ব্যবস্থাও যথেষ্ট ছিল, ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রেও কোনো অস্বচ্ছতার অভিযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, প্রার্থীরা তাদের প্রচারণা অবাধ ও স্বচ্ছভাবে চালাতে পেরেছেন। নির্বাচনের সময়ত কোনও সংকট বা অভিযোগ এলে দ্রুত সেই সমস্যাগুলোর সমাধান হয়েছে, যা বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়িয়েছে। নির্বাচনের প্রাকৃতিক অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা আরও নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও তিনি মত ব্যক্ত করেন।

গত বছরের শেষ দিকে থেকে ইইউর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশে অবস্থান নিয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের দিন, ইইউ এবং কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের ২২৩ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় দায়িত্ব পালন করেন।