ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম শনিবার দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেন। তিনি রাজধানীর সন্নিকটে রূপগঞ্জের গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগারটি পরিদর্শন করেন, যা দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহের সক্ষমতা সম্পন্ন। এই নির্মাণাধীন শোধনাগারটি দেশের বৃহত্তম পানি সরবরাহ প্রকল্পের অংশ হিসেবে গড়ে উঠছে।
পরিদর্শনের সময় তিনি প্রথমে একই জেলার আড়াইহাজার উপজেলার বিষনন্দী পয়েন্টে অবস্থিত মেঘনা নদীর তীরে যান, যেখানে প্রথম পর্যায়ের ইনটেক পয়েন্টটি রয়েছে। এরপর তিনি রূপগঞ্জস্থ মূল প্ল্যান্টেরিয়া পরিদর্শন করেন। এই সময় শোধনাগারের প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদসহ সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বিস্তারিতভাবে শোধনাগারের বিভিন্ন দিক দেখিয়ে দেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে কার্যকর তথ্য প্রদান করেন।
পরিদর্শন শেষে, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকল্পের সামগ্রিক অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরে ঢাকা শহরের পূর্বাঞ্চলে আংশিকভাবে পানির সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে, যেটা এই প্রকল্পের দ্রুত অগ্রগতি ও সম্পূর্ণতা নির্ভর করছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও অগ্রাধিকার দানের আশ্বাস দেন।
এছাড়াও, তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর পূর্বাঞ্চলের মানুষ উপকৃত হবেন। এর ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং পরিবেশ-বান্ধব টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই শোধনাগার চালু হলে হাজার হাজার গভীর নলকূপ বন্ধ হয়ে যাবে, যা স্থায়ীভাবে পানি সংরক্ষণ ও পরিবেশের জন্য শুভ সূচনা।
উল্লেখ্য, গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগারটির প্রথম পর্যায়ে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহের মাধ্যমে রাজধানীর জন্য পানি নিশ্চিত হবে। ভবিষ্যত দ্বিতীয় পর্যায়ে সমপরিমাণ পানি সরবরাহের জন্য প্রস্তুতি চলছে। এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে ঢাকার পানি সংকট পর্যায়ক্রমে দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আজকের খবর / এমকে









