ঢাকা | রবিবার | ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

সুপ্রিম কোর্টে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর ঘোষণা

জনগণের দুর্ভোগ কমাতে এবং আইনি প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নৈশকালীন ডাকসেবা চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ডাকঘর বিভাগ 지난 ১২ এপ্রিল ২০২৬ সালে এক নির্দেশনায় জানিয়েছে যে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অফিসের সময়সীমা বাড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডাক সেবা চালু করা হবে। মূল লক্ষ্য হলো মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত আইনি নথি পাঠানো এবং গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা, যাতে বিচারপ্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়।

এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং এই সেবা চালু হলে আগামী তিন মাসের মধ্যে এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। মূল পরিকল্পনাটি originates হয়েছে আইনি নথিপত্রের দ্রুত প্রাপ্তি এবং জরুরি বিষয়াদি যথাযথ সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট এস এম আরিফ মণ্ডল আবেদন করেছিলেন, যেখানে তিনি সন্ধ্যায় বিলম্বে ডাকসেবা চালুর জন্য আবেদন করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে এই সেবা চালুর সম্ভবব হয়েছে।

নতুন এ ব্যবস্থা অনুযায়ী, প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে আটটায় পর্যন্ত ডাক সেবা প্রদান করা হবে। আশা করা হচ্ছে, এই উদ্যোগের ফলে উচ্চ আদালতের আদেশ ও গুরুত্বপূর্ণ আইনি নথি দ্রুত সংশ্লিষ্ট আদালত ও বিচারপ্রার্থীদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে। বিশেষ করে ফৌজদারি মামলার জামিন আদেশ দ্রুত জেলা জজ আদালতে পৌঁছানোর পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কারামুক্তি দ্রুত হবে।

বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের সাব পোস্ট অফিস দুপুর ২টা পর্যন্ত সেবা দিয়ে থাকে, যা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পাঠানোর ক্ষেত্রে অসুবিধা সৃষ্টি করে। নতুন পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে আদালতের ডেসপ্যাচ শাখার কাজের চাপ কমবে এবং আদেশের গ্রহণ-প্রেরণের সময়সীমা বৃদ্ধি পাবে।

অ্যাডভোকেট এস এম আরিফ মণ্ডল জানান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে এই সেবা চালুর পথ সুগম হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নৈশকালীন ডাকসেবা চালু হলে বিচারপ্রার্থীরা দ্রুত সুবিধা পাবেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার জটিলতা অনেকটাই কমে আসবে।