ঢাকা | | | |

প্রধানমন্ত্রীর টাইম তালিকায় স্থান পেয়ে গৌরব বাংলাদেশের জন্য, মাহদী আমিনের শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, বিশ্বের প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্থান পাওয়া এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যা দেশের জন্য এক গৌরব, গর্ব এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য এক বড় অর্জন। মাহদী আমিন এক বার্তায় এ কথাগুলো বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশের নেতা তারেক রহমান টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল ব্যক্তিদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এই স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক মহলে বাংলার গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব, সাহসিকতা এবং দেশের মুক্তির জন্য তাঁর অসামান্য অবদানকে তুলে ধরেছে।’

মাহদী আমিন বলেন, ‘বিশেষ করে সেই কঠিন সময়ে যখন গণতন্ত্র অবরুদ্ধ ছিল, মানুষের ভোটের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছিল এবং বাকস্বাধীনতা চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল, তখন তারেক রহমান দৃঢ়তা, সাহস ও অটল বিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে এসেছিলেন। তিনি নেতৃত্বের পাশাপাশি মানুষের আশা জাগিয়েছেন, কণ্ঠস্বরকে শক্তি দিয়েছেন এবং নির্যাতিত মানুষের হয়ে কথা বলেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহু সংগ্রাম-সংঘর্ষ পেরিয়ে আবারও গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে বলে মাহদী আমিন উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অবদান আজ বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি পেয়েছে। স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন, যখন তারেক রহমান ফিরে এসেছিলেন, সেই দিন তিনি বলেছিলেন, “আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।”

তিনি দৃঢ় বিশ্বাস জানান, একটি অন্তর্ভুক্ত, বৈষম্যমুক্ত এবং সমন্বিত বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচিত সরকার অল্প সময়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সফল হয়েছে।

মাহদী আমিন আরো বলেন, এই তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ সংগ্রাম, নেতৃত্ব এবং ক্যারিশমা-সম্পন্ন দক্ষতার জন্য একটি শক্তিশালী স্বীকৃতি। তিনি দেখিয়েছেন যে, ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই একজন নেতার প্রকৃত শক্তি।

দেশ পরিচালনা তিনি ক্ষমতা হিসেবে দেখছেন না, বরং দায়িত্ব মনে করেন। দেশের স্বার্থে বিভাজন নয়, ঐক্যই একটি জাতির অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পারে।

উপদেষ্টা মাহদী আমিন ডেলিভারিতে মার্কিন সাময়িকী থেকে পাওয়া এই সম্মান দেশের সব নাগরিকের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, ‘এই সম্মাননা বাংলাদেশের প্রতিটা নাগরিকের, যারা বিশ্বাস করে গণতন্ত্র অটুট থাকবেই। জনতার শক্তি কখনো হার মানে না। আজকের এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি গণতন্ত্রের জয়, জনগণের জয় এবং বাংলাদেশের জয়।’