ঢাকা | মঙ্গলবার | ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৬শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

শিশুবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ডা. জাহিদ

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ. জেড এম. জাহিদ হোসেন বলেছেন, ভবিষ্যত বাংলাদেশ শিশুদের জন্য আরও অনুকূল ও উপযোগী করে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও সরকার শিশুদের উন্নয়ন, তাদের অধিকার রক্ষা ও সুস্থ বিকাশের জন্য যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে, সেটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন। বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষের সূচনা উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরের শুভ সুচনা করা হয় এ অনুষ্ঠানে।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহণের পর উপলব্ধি করেছিলেন যে, শিশুদের সার্বিক বিকাশের জন্য প্রয়োজন যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা। সেই ভাবনা থেকেই তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও শিশু পার্কের মত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে এগুলো জেলা পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও নানা কারণে পরবর্তীতে এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজের মূল লক্ষ্য থেকে কিছুটা বিচ্যুত হয়।

ডা. জাহিদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার শিশু অধিকার নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সচেতন। প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের বিকাশে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে। শিক্ষার পাশাপাশি তাদের মানসিক বিকাশ, চিন্তা-প্রবৃদ্ধি এবং নেতৃত্বদানের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পরিকল্পিতভাবে কাজ চলছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নববর্ষের এই বাংলা বছরের শুরু ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য নতুন দিশা উন্মোচন করবে এবং আগামী বৈশাখ আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ করবে।

সভাপতির বক্তৃতায় সচিব ইয়াসমীন পারভীন নববর্ষের এই শুভ মুহূর্তে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে নতুনের আগমন আমাদের মধ্যে নতুন আশা ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। তিনি বলেন, শিশু একাডেমির আয়োজনের মাধ্যমে শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাঙালিয়ানার চেতনা এবং সাংস্কৃতিক মূল ধারণাকে আরও দৃঢ় করে তুলছে। শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছাঃ আরজু আরা বেগম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ডা. শরীফা করিম স্বর্ণা, মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি শিশু একাডেমির শিক্ষার্থী, প্রশিক্ষক, অভিভাবক ও সাংবাদিকরা। আলোচনা পর্বের শেষে শিশু শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আজকের খবর / বিএস