ঢাকা | বুধবার | ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২২শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে চারটি গ্যাসজাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে আসা চারটি গ্যাসবাহী জাহাজ ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে গেছে। এর মধ্যে আজ রবিবার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী ‘এলপিজি সেভেন’ নামে এক জাহাজ, যা ওমানের সোহার বন্দর থেকে এসেছে। এই জাহাজটি ২২,১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস বহন করে বাংলাদেশে আসছে। এর বাইরে আরও তিনটি জাহাজ বাংলাদেশ অভিমুখে এগিয়ে চলেছে বলে জানিয়ে দিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের কর্তৃপক্ষ।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ‘আল জোরা’ জাহাজটি ৬৩,৩৮৩ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে একই স্থান থেকে আসা ‘আল জাসাসিয়া’ জাহাজটি ৬৩,৭৫৩ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে, কাতারের রাস লাফান থেকে আসা আরো একটি এলএনজি জাহাজ ‘লুসাইল’ ৬২,৯৮৭ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে সোমবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। এছাড়া, পূর্বে রওনা হওয়া ‘আল গালায়েল’ ৫৭,৬৬৫ মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই জাহাজ ১১ মার্চ এবং ‘লেব্রেথাহ’ ৬২,০০০ মেট্রিক টন এলএনজি বহনকারী জাহাজ ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর আশা রয়েছে।

অন্যদিকে, ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা ‘জি-ওয়াইএমএন’ নামের আরেকটি এলপিজি জাহাজ ১৯,৩১৬ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫:৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকেও মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) বহনকারী ‘বে-ইয়াসু’ নামের জাহাজটি ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৫ মার্চ সকাল ১০:৪০ মিনিটে বন্দরে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, মোট আটটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে চারটি ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। আরও একটি জাহাজ আজ আসছে, এবং বাকি তিনটি পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য পরিবহন করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ঘটনা অব্যাহত উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। এই হামলা ও প্রতিরোধের কারণে হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমাদের মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক ও জ্বালানি সরবরাহের ওপর সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিতে ভবিষ্যতে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।