বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তিনি চান যে দলে থেকে শুভ পরিবর্তন আসুক এবং সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে মুক্তি পাওয়া হোক। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে ভবিষ্যতের সংসদ অধিবেশনগুলো মানুষকে অনেকটাই আশ্বস্ত করবে। তাঁর মতে, এই ধরনের সংসদই দেশের জনগণ চেয়েছিলেন, যেখানে গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান ও কার্যক্রম উন্নত হবে। বরাবরের মতো, অতীতে সংসদে যে নেতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো খুব শিগগিরই মানুষের মনে থেকে মুছে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
শনিবার (৭ মার্চ), রাজধানীর গুলশানে সংসদ সদস্যদের শেষ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসে তিনি এসব কথা बोलেন। তিনি সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সংবিধান, রুলস অব প্রসিডিউর, কাস্টমস এবং সংসদীয় নীতি নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, বিশ্বের শক্তিশালী গণতন্ত্রের চর্চা করছে এমন দেশের সংসদে ঘটে যাওয়া নিয়ম ও অভ্যাসের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ সংসদ অধিবেশন দেখে জাতির মনোভাব অনেকটাই বদলে যাবে।
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একটি নতুনভাবে শুরু করবেন। তারা শিখবেন কীভাবে আরও দক্ষ ও সুন্দরভাবে সংসদীয় কার্যক্রম চালানো যায়। এটি একটি সতেজ সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যেমন নতুন সন্তান জন্মের পর সেই শিশুটি সতেজ ও ভালো দিকই শিখে। তিনি দৃঢ়ভাবে আস্থা প্রকাশ করেন, নবীন এমপিরা যদি খারাপ সংস্কৃতি না গ্রহণ করে, তবে তারা ভালো শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে এমনটাই উদ্দেশ্য, যাতে নতুন সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে পারেন। প্রথমবারের মতো নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্যরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন, যেখানে সংসদ কার্যক্রম, বিধি-বিধান ও সংসদীয় আচার-আচরণ শেখানো হচ্ছে। দু’দিনের এই কর্মশালার প্রথম দিন বিভিন্ন জেলার সংসদ সদস্যরা দমন, তারা নিজেরা অংশ নেন। বিকেলের সেশনে তাঁরা সিলেট, কুমিল্লা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের সদস্যদের সাথে আলোচনা করবেন।
বিএনপি জানিয়েছে, আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সামনে রেখে এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিজ্ঞ সাবেক কর্মকর্তা, একাডেমিশিয়ান ও সাবেক সংসদ সদস্যরা এমপিদের দায়িত্ব, সংসদীয় রীতি, মন্ত্রিসভার কাজকর্ম ও মন্ত্রণালয় পরিচালনার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য এই কর্মশালায় বিভিন্ন কৌশল শিখিয়ে থাকছেন।









