ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বৈশাখী টেলিভিশনের ২১ বছর পূর্তি

বৈশাখী টেলিভিশন সফলতার ২১ বছর পূর্তি উদ্যাপন করেছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালনের অঙ্গীকার নিয়ে ২০০৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর এই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলটি যাত্রা শুরু করে। সেই থেকেই এই চ্যানেলটি বাংলাদেশের সর্বত্র নিজেদের অবস্থান শক্ত করে ধরেছে এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

২১ বছর পূরণের উপলক্ষে শনিবার দিনব্যাপী নানা আয়োজনের আয়োজন করা হয়। দিনের শুরুতে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ‘২১ বছরে বৈশাখী’ শিরোনামে একটি সরাসরি সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা বিকাল পর্যন্ত চলতে থাকে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধারার গানের আয়োজন ছিল, যেমন রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, আধুনিক গান ও লোকগান। অনুষ্ঠানের মধ্যে রিটেলারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ওশিক্ষাবিদরা তাদের শুভেচ্ছা ও শুভкамনা প্রকাশ করেন।

সকাল থেকেই চলতে থাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো। আইনুন পুতুলের উপস্থাপনায় প্রথম সেগমেন্টে আচার্য্য ও মিথিলা মল্লিক রবীন্দ্র ও নজরুলগীতির সংগীত পরিবেশন করেন। এরপর অন্যান্য সেগমেন্টে অণিমা রায়, ইউসুফ আহমেদ খান, খুরশিদ আলম, চম্পা বণিক, নদী, অপু আমান, সাব্বির, শবনম প্রিয়াংকা, রাজীব, শিলা দেবী, কামরুজ্জামান রাব্বী ও লিটা সরকার সহ অনেকে তাদের গায়কিত্বের জলవসা দেখান। বিকেল ও সন্ধ্যার বিভিন্ন সময় ফোক গান, আধুনিক গান ও দেশাত্মবোধক সংগীতের আয়োজন ছিলো।

সময়ের অন্যতম আকর্ষণ ছিলো সন্ধ্যা ৮টায় সালমা ও তার দলের ফোক গান, যা শ্রোতাদের মন জয় করে নিয়েছিল। এরপর রাত ১০টায় ‘স্বভাব দোষে’ নামের এক বিশেষ নাটক প্রচারিত হয়, যেটি টিপু আলম মিলন পরিচালিত। এই নাটকে ছিলেন মোশাররফ করিম, তানিয়া বৃষ্টি, আজম খান, অনুভব, রাইজা রশিদ, তাসনিম হেলেন প্রভা সহ আরও অনেকের অভিনয়।

শুরু হয় সেই রাতে বাংলা সিনেমা ‘শিকারী’ এর প্রদর্শনী, যেখানে শাকিব খান, শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী, অরজিত সিংসহ আন্তর্জাতিক তারকারা অংশ নেন।

চ্যানেলটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন বলেন, ‘আমাদের জন্য এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২১ বছর একটি চ্যানেলের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এই দীর্ঘ সময়ের পথচলায় যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন এবং আছেন তাদের আন্তরিকতা ও দর্শকদের ভালোবাসার কারণেই এই সাফল্য সম্ভব। ভবিষ্যতেও বৈশাখী টেলিভিশন বিভিন্ন শ্রেণীর দর্শকদের কথা মাথায় রেখে নতুন অনুষ্ঠান তৈরি করবে এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করে যাবে।’ এটি সত্যিই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।