ঢাকা | শনিবার | ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

আল্লাহই সবকিছুর উত্তম বিচারক: ডিপজল বোনদের অভিযোগ প্রসঙ্গে

সম্প্রতি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা এবং নির্মাতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল তার তিন বোনের কাছ থেকে সুপ্রতিষ্ঠিত অভিযোগ পেয়ে হঠাৎই সমাজের ও ইন্ডাস্ট্রির মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে দীর্ঘ দিন ধরে বঞ্চিত হয়েছেন, সম্পত্তি নিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। এই অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় ডিপজল সামাজিক মাধ্যমে একটি স্পষ্ট স্ট্যাটাস দিয়ে বলেছেন, তিনি সবসময় তার বোনদের প্রতি সম্বর্ধনামূলক ও সম্মানজনক আচরণ করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অপপ্রচার। ডিপজল বলেন, “আল্লাহই সবকিছুর উত্তম বিচারক,” এবং আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি সবকিছু সমাধান করবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ভক্ত ও এলাকাবাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন, তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে অপেক্ষা করতে। অন্যদিকে, অভিযোগকারি তার তিন বোন জানিয়েছেন, চিরকালই তাদের সম্পত্তির স্বীকৃতি ও অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তারা বলেন, বাবা মারা যাওয়ার ৪০ বছর পার হয়ে গেল, কিন্তু নানা প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও তাদের অংশ পাননি তারা। দীর্ঘ বছর চেষ্টা করে শেষে আদালতের আদেশ পেয়েছেন, কিন্তু নিরাপত্তা ও মানসিক হুমকির কারণে তারা তা কার্যকর করতে পারছেন না। বোনেরা আরও জানিয়েছেন, তাদের একজন সন্তান ক্যান্সারে আক্রান্ত অবস্থায় নানা চেষ্টার পরও ভাইবোনদের আর্থিক সহযোগিতা পায়নি, আর এখন সম্পত্তি বিক্রির গোপন তথ্য জেনেও তারা ভয় পেয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করে ডিপজল জানান, এই অভিযোগের সত্যতা পরে আদালত স্পষ্ট করতে পারবে। তিনি মনে করেন, এই মর্মান্তিক পরিস্থিতি তাদের পারিবারিক বন্ধনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ডিপজল আরও বলেন, আমি সবসময় আমার বোনদের সম্মান ও ভালোবাসা দিয়ে আসছি, দান-খাইয়ে সেবা করতেও প্রস্তুত। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন, মামলার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে, কারণ সব সত্য আঙুলে ওঠে আসবে ইনশা আল্লাহ। অবশেষে, ডিপজল জানিয়েছেন, তাঁর জন্য জীবনযাত্রা অনেক কঠিন হয়ে উঠলেও আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখছেন, আর সত্যের পথে এগিয়ে যেতে থাকবেন। তিনি বলেন, “সর্বোপরি, সম্মান ও বিচার আল্লাহই দেন, আর আল্লাহই সবকিছুর উত্তম বিচারক।”